মনসুর আহমেদ চৌধুরী

মনসুর আহমেদ চৌধুরী, প্রতিবন্ধী বিষয়ক পরামর্শক (Consultant), নিজে একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। জন্ম ১৫ই নভেম্বর ১৯৪৯ সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন ভাদেশ্বর গ্রামে। পিতা মজিরউদ্দীন চৌধুরী এবং মাতা আছিয়া খাতুন চৌধুরী। ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে স্নাতক এবং ১৯৭৪ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসনে প্রথম প্রতিবন্ধী ছাত্র হিসেবে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে সুুইডিশ ফেডারেশন অব দি ভিস্যুয়ালী হ্যান্ডিক্যাপড্ এবং সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি, কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ব্লাইন্ড লিডারশীপ ট্রেনিং কর্মশালা। ১৯৭৭ সালে ইন্টারন্যাশনাল সামার স্কুল, ইউনির্ভাসিটি অব অসলো, নরওয়েতে মেডিকেল কেয়ার এন্ড পাবলিক হেলথ সার্ভিসেস, ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন এন্ড স্ক্যান্ডিনাভিয়ান এ্যাফেয়ার্স এর উপর সার্টিফিকেট অব এচিভমেন্ট ট্রেনিং। ১৯৮০ সালে সুইডিশ ইন্টারন্যশনাল ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি, আলমোসা, সুইডেনে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ব্লাইন্ড লিডারশীপ ট্রেনিং কর্মশালা। ১৯৮০ সালে আরকানসাস এন্টারপ্রইজেস ফর দি ব্লাইন্ড, লিটল রক ইউনির্ভাসিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রোফেশনাল এডমিনিষ্ট্রেশন এর উপর সার্টিফিকেট অব এচিভমেন্ট ট্রেনিং গ্রহণ এবং ২০০০ সালে ইন্সটিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট ষ্টাডিজ, ইউনির্ভাসিটি অব সাসেক্স, যুক্তরাজ্যে সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং।

পেশাগত অভিজ্ঞতা : জানুয়ারী ১৯৭৮–মার্চ ১৯৮০ পর্যন্ত এক্সিকিউটিভ অফিসার/নির্বাহী কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ন্যাশনাল সোসাইটি ফর দি ব্লাইন্ড (বিএনএসবি)। জানুয়ারী ১৯৮১–৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯১, জেনারেল সেক্রেটারী, এসিস্টেন্স ফর ব্লাইন্ড চিলড্রেন (এবিসি) ঢাকা। সেপ্টেম্বর ১৯৯২–নভেম্বর ১৯৯৩, Technical Advisor (ব্লাইন্ডনেস), হেলেনকেলার ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ। ডিসেম্বর ১৯৯৩–মার্চ ২০০৮, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, ইম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। মার্চ ২০০৮–মে ২০০৯, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। জুন ২০০৯, খন্ডকালীন পরামর্শক, UNEASCAP (ইউ,এন,ই,এস,সি,এ,পি)। জুলাই ২০০৯–ডিসেম্বর ২০০৯, খন্ডকালীন পরামর্শক, বিশ্বব্যাংক, ঢাকা অফিস। জানুয়ারী ২০০৯–ডিসেম্বর ২০১২, প্রাক্তন সদস্য, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গের অধিকার বিষয়ক কমিটি, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী সদস্য হিসেবে সম্পৃক্ত আছেন—১৯৯৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাষ্টি, ইম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। ১৯৯৫ সাল থেকে সেক্রেটারী, প্রতিষ্ঠাতা ট্রাষ্টি বোর্ড, সোস্যাল সার্ভিসেস এন্ড ম্যানেজমেন্ট ট্রাষ্ট। ২০০৬ সাল থেকে জীবন সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যলামনাই এ্যসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ গণচীন মৈত্রী সমিতি। ২০১১ সাল থেকে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাষ্টি, আবু সোবহান ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট। ২০১৩ সাল থেকে সদস্য, ডিসএ্যবিলিটি কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনাল (ডিসিআই)। ২০১৩–২০২৩ পর্যন্ত ট্রাষ্টি, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র এবং ২০১৬–২০২২ সাল সদস্য, পরিচালনা পর্ষদ্, সাউথ এশিয়া পার্টনারশীপ (স্যাপ), বাংলাদেশ। নির্বাহী সদস্য, সেন্টার ফর সার্ভিসেস এন্ড ইনফরমেশন অন ডিসঅ্যাবিলিটি ২০০৮–২০২২ সাল, ট্রাষ্টি, বাংলাদেশ বিজনেস ডিসঅ্যাবিলিটি নেটওয়ার্ক (বি বি ডি এন) ২০১৬–২০২২ সাল।

বহু প্রকাশনা ও প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন বিভিন্ন সেমিনারে। উল্লেখ্য দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের নিরাপদ চলাচল প্রশিক্ষণ, পুর্নবাসনকর্মী ও দৃষ্টিপ্রতিন্ধীদের অভিবাবকদের জন্য একটি নির্দেশিকা যৌথভাবে রচনা করেছেন মনসুর আহমেদ চৌধুরী এবং ফারহানা রহমান। সম্মানীত হয়েছেন বিভিন্ন পুরস্কারে—নিরাফাত আনম মেমোরিয়াল ইনক্লুশন (নামি) এ্যাওয়ার্ড-২০১৭, সিলেট রত্ন ফাউন্ডেশন পদক-২০১২, আজীবন সম্মাননা-২০১১ (সিঙ্গার বাংলাদেশ ও চ্যানেল আই), সিনিয়র অশোকা ফেলোশীপ এ্যাওয়ার্ড (২০০৫), অতীশ দীপংকর এ্যাওয়ার্ড (২০০৪), রোটারী ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিটারিয়ান সার্ভিস এ্যাওয়ার্র্ড (১৯৮০)।

ভ্রমণ করেছেন পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য দক্ষিন এশিয়া, দক্ষিন পূর্ব এশিয়া, দূর প্রাচ্য, প্রশান্ত মহাসাগর এলাকা, মধ্যপ্রাচ্য, পশ্চিম ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিন আফ্রিকার অন্তর্ভুক্ত ৪৮টি দেশ।

বাংলা, ইংরেজী, উর্দু, হিন্দি ভাষায় পারঙ্গম।

মূল্যসীমা
বিভাগ
More

Showing the single result